বিশ্বজুড়ে ২০০ কোটির বেশি মানুষের যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম হোয়াটসঅ্যাপ। তবে সম্প্রতি এই প্ল্যাটফর্মে সাইবার অপরাধীদের দৌরাত্ম্য বেড়েছে। মূল প্রতিষ্ঠান মেটা সতর্ক করে বলেছে, প্রতারকরা এখন কৌশলে ব্যবহারকারীদের হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট অন্য ডিভাইসে যুক্ত (লিংক) করে হ্যাক করার চেষ্টা করছে।

সাইবার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হ্যাকাররা হোয়াটসঅ্যাপের নিজস্ব নিরাপত্তা ভাঙার বদলে মূলত ব্যবহারকারীদের বোকা বানিয়ে ভেরিফিকেশন কোড হাতিয়ে নিচ্ছে। এছাড়া হোয়াটসঅ্যাপের নতুন ‘ইউজারনেম’ ফিচারটি ব্যবহার করেও তারা পরিচিত ব্যক্তি বা ব্র্যান্ডের ছদ্মবেশ ধরছে।

হ্যাকিংয়ের এই ফাঁদ থেকে ব্যক্তিগত চ্যাট, ছবি ও তথ্য সুরক্ষিত রাখতে চারটি সহজ পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে:

পাসকি (Passkeys) চালু করা: এসএমএস ভেরিফিকেশন কোডের বদলে ফোনের ফেস আইডি বা ফিঙ্গারপ্রিন্ট ব্যবহার করা, যা হ্যাক করা প্রায় অসম্ভব।

রিকভারি ইমেইল যুক্ত করা: সিম হারিয়ে গেলে বা এসএমএস কোড না পেলে এই ইমেইল দিয়ে খুব সহজেই অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধার করা সম্ভব।

টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন: অ্যাকাউন্টে একটি ৬ ডিজিটের কঠিন পিন যুক্ত করা, যা ছাড়া হ্যাকাররা এসএমএস কোড পেলেও লগ-ইন করতে পারবে না।

অ্যাপ লক করে রাখা: ফোন অন্য কারও হাতে গেলেও ফেস আইডি বা ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ লক করে রাখলে আপনার চ্যাট সুরক্ষিত থাকবে।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, হোয়াটসঅ্যাপে পরিচিত কেউ টাকা চাইলেও সঙ্গে সঙ্গে সাড়া না দিয়ে ফোন কল বা অন্য কোনো মাধ্যমে তা যাচাই করে নিন। মাত্র কয়েক মিনিটের এই সেটিংসগুলো চালু রাখলে আপনার হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট থাকবে সম্পূর্ণ নিরাপদ।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *