সেই সাবরিনার মামলায় যুক্তি উপস্থাপন - Amader Bangladesh

আদালত প্রতিবেদক : ডা. সাবরিনা চৌধুরীসহ আটজনের বিরুদ্ধে করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা নিয়ে প্রতারণার মামলায় আংশিক যুক্তিতর্ক উপস্থাপন হয়েছে। আজ বুধবার ঢাকার অ্যাডিশনাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেননের আদালতে এ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়।

মামলায় সাবরিনার স্বামী আরিফুল হক চৌধুরীর পক্ষে অ্যাডভোকেট ফারুক আহাম্মদ যুক্তিতর্ক শেষ করেন এবং খালাস দাবি করেন। এরপর সিনিয়র আইনজীবী এহসানুল হক সমাজী আসামি সাবরিনার পক্ষে আংশিক যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করার পর আগামি ১৪ জুন অবশিষ্ট যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের তারিখ ধার্য করেন আদালত।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর আজাদ রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গত ১১ মে আসামিরা আত্মপক্ষ শুনানিতে নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার চান।এর আগে, গত ২০ এপ্রিল মামলাটিতে সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়। চার্জশিটভূক্ত ৪০ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।

ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় করোনা শনাক্তের জন্য নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষা না করেই ২৭ হাজার মানুষকে রিপোর্ট দেয় ডা. সাবরিনা ও তার স্বামীর প্রতিষ্ঠান জেকেজি হেলথকেয়ার। এর বেশিরভাগই পরে ভুয়া বলে ধরা পড়ে। এ অভিযোগে ২০২০ সালের ২৩ জুন অভিযান চালিয়ে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দেওয়া হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় মামলা করা হয়।

এরপর ৫ আগস্ট এ মামলায় ঢাকা সিএমএম আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন ডিবি পুলিশের পরিদর্শক লিয়াকত আলী। ২০২০ সালের ২০ আগস্ট সাবরিনাসহ ৮ আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে বিচার শুরু করেন আদালত।

চার্জশিটভুক্ত অপর আসামিরা হলেন- সাঈদ চৌধুরী, হুমায়ুন কবির ও তার স্ত্রী তানজীনা পাটোয়ারী, জেকেজি হেলথকেয়ারের নির্বাহী কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম, প্রতিষ্ঠানটির ট্রেড লাইন্সেসের স্বত্বাধিকারী জেবুন্নেছা রিমা ও বিপ্লব দাস। তারা সবাই কারাগারে আছেন।