রক্তের সম্পর্কের ভাইদের জন্য পুরা পরিবার বিচ্ছিন্ন,সব থেকেও কিছু নেই - Amader Bangladesh

আমি মোহাম্মদ শোফিক হাশেম,আমি সৌদি প্রবাসী।২০১৩ সালে ডিসেম্বর মাসে পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য সৌদি আরবে পাড়ি জমাই একজন প্রবাসী হিসাবে বলা যেতে পারে একজন রেমিটেন্স যোদ্ধা।

পাঁচ ভাইয়ের সংসারে আমি সবার ছোট, আমার বউ কে এবং আমার ছেলে মেয়েদেরকে রেখে আমি সৌদি আরবে চলে আসি। আমি চলে আসার পর আমার স্ত্রী সন্তানের ওপর নানা রকম হুমকি ধামকি ও হামলা হয়।

এই ষড়যন্ত্র অত্যাচার হামলা সব আমার বাকি চার ভাইয়েরা করেছে। বড় ভাইয়ের নাম জামাল, মেঝো ভাইয়ের নাম জালাল, সেজো ভাইয়ের নাম সালাউদ্দিন ও আরেক জন এর নাম জিয়া।

 

আমার বড় ভাই জামাল বিভিন্ন রকম লাভের প্রলোভন দেখিয়ে আমার কাছ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা বিভিন্ন মাধ্যমে নিয়েছে এবং আমার স্ত্রী সন্তানদের কাছ থেকে চার লক্ষ টাকা জোরপূর্বক আদায় করেছে।

এ ঘটনার সাথে আমার এক বোন রহিমা বেগম ও আমার ভগ্নিপতি নুরু হাওলাদার জড়িত আছে। তারা আমার সাথে প্রতারণা করেছে। সবকিছু হারিয়ে আজ আমি সর্বশ্রান্ত হয়ে গেছি।

তারা বাবার সম্পত্তি লোভে আমি দেশে না থাকায় আমার স্ত্রী কে নানা রকম কুপ্রস্তাব দিতো ও সন্তানদের ওপর প্রায় প্রায় হামলা চালাত।

এ বিষয়ে গ্রামের চেয়ারম্যান মেম্বার ও স্থানীয় কাউন্সিলর কে জানানো হয়।এলাকার সকল মুরুব্বী এই বিষয় এ সব কথা ই জানে।

কাউকে জানিয়ে তেমন কোন ফায়দা হয়নি। থানাতেও অনেক বার অভিযোগ করা হয়েছে। থানা থেকেও কোন সাপোর্ট পাওয়া যায়নি।বরংচ বারবার হামলার শিকার হতে হয়েছে।

এক পর্যায়ে তারা মারধর করে আমার স্ত্রীর সন্তানদেরকে ঘর থেকে বের করে দেয়। তারা কোনভাবেই আমাকে এবং আমার স্ত্রী,সন্তানদেরকে বাড়ির আশেপাশে আসতে দেয় না। তারা পুরোপুরি আমার পৈতৃক সম্পত্তি থেকে আমাকে বঞ্চিত করেছে। আমার নিজের টাকায় মেরামত করা ঘরে তারা আমাকে ও আমার স্ত্রী সন্তানদেরকে শান্তিতে থাকতে দেয়নি।

থানায় মামলা না নেওয়ার কারণে এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৬ সালে আদালতে গিয়ে মামলা দায়ের করি। এই মামলা এখনো চলমান।

আদালত থেকে এখন পর্যন্ত কোন প্রকার সমাধান আমি পাইনি। নিজের বাড়ি ছেড়ে আমার স্ত্রী সন্তান এখন ভাড়া বাসায় থাকে।

আমার ছেলে ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারে পড়ে, আর মেয়ে নবম শ্রেণীতে পড়ে, আমি সৌদি আরবে ২৫ হাজার টাকা বেতন পাই।
এই টাকায় আমার খাওয়া দাওয়া এবং দেশে পাঠিয়ে আমার সংসার চালাতে খুব কস্ট হয়।

আমার এই দুঃখ-কষ্ট দেখার মত কেউ নেই, আজ পর্যন্ত কেউ কোন সমাধান দিতে পারেনি।

এক মাত্র আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যদি চায়। আমার এই সমস্যা সমাধান করতে পারবেন।উনি সর্বশেষ ভরসা।
ম্যাডাম আপনি যদি একটু বলে দিতেন আমি এবং আমার পরিবার সারা জীবন দু’মুঠো খেয়ে শান্তি করে বেঁচে থাকতে পারবো।