নিজস্ব প্রতিবেদক : অমর একুশের গ্রন্থমেলা বর্ধমান প্রাঙ্গনের সীমানা ছাড়িয়েছে আরও অর্ধ যুগ আগে। ২০১৪ থেকে মেলার পরিসর বিস্তৃত হয়েছে বাংলা একাডেমির মুখোমুখি ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। করোনা মহামারী এবার সময়কে এগিয়ে নিয়েছে ফেব্রুয়ারী থেকে মার্চে। ১৮ই মার্চ, ২০২১ থেকে চলছে বইমেলা। অমর একুশে গ্রন্থ মেলা বা একুশে বই মেলা বাংলার বই প্রেমীদের প্রানের মেলা।

করোনা কালের এই দুঃসময়েও সেই প্রানের সমাবেশের চেষ্টায় লেখক প্রকাশকগন। কবি, নির্মাতা এবং সংবাদ কর্মী ‘এন এস এম মঈনুল হাসান সজল’ তাদের একজন। এবারের বইমেলায় এসেছে তার নতুন কবিতার বই “অন্তকরণের ধ্বনি”। বইটি প্রকাশিত হয়েছে পূর্বা প্রকাশনী থেকে। প্রকাশক বাদল সাহা শোভন। লেখকের প্রথম কবিতার বই ‘তৃতীয় চোখে কাব্য’, দ্বিতীয় বইটি ছিল উপন্যাস “প্রতিসমতা”। ‘এন এস এম মঈনুল হাসান সজল’-এর “অন্তকরণের ধ্বনি’ মূলত মানবতা আর ভালোবাসা প্রতিচ্ছবি। তিনি প্রেমের সমীকরণ আঁকতে চেয়েছেন, মানুষের অধিকারের কথা বলেছেন, ধর্ম এবং রাজনীতিকে তুলে ধরেছেন আপন আলোয়। মিশ্র অনুভুতির এই কাব্যগ্রন্থটি পাঠকের ভালোলাগার আশা প্রকাশ করেন প্রকাশক বাদল সাহা শোভন।

ছাত্রজীবন থেকে থিয়েটারের সাথে যুক্ত কবি ‘ঢাকা থিয়েটার’-এর সদস্য। এর আগে তার রচিত ও পরিচালিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র “তৃষাতুর” সুধীজনের প্রসংসা কুড়িয়েছে। প্রায় দেড় দশক টেলিভিশন সংবাদের সাথে যুক্ত ছিলেন। ‘থিয়েটার অর্গানাইজার’ হিসেবেও কর্মরত ছিলেন। এছাড়া বিভিন্ন সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত। বই সম্পর্কে নব্য-প্রবাসী কবি বলেন, “”অন্তঃকরণের ধ্বনি” আমার দেখা পৃথিবীর দ্রোহ ও প্রেম রঙের প্রকাশ। কবিতার জানালায় আমার অনুভব আর অভিজ্ঞতা ভাগাভাগির প্রয়াস “অন্তঃকরণের ধ্বনি”।” কবি আশা করেন, শুভাকাঙ্ক্ষী গণ তার চেষ্টার বিবেচনা করবেন বইটি সংগ্রহ করে। বইটি পাওয়া যাচ্ছে বইমেলার ১১৬ নং পূর্বা প্রকাশনী’র স্টলে এবং রকমারী ডটকমে।